চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রচেষ্টায় মিশ্র ফসল আবাদে কৃষকরা ক্রমেই আগ্রহী হয়ে উঠছেন। মিশ্র ফসল আবাদ করলে একই জমিতে আগের তুলনায় অধিক ফসল উৎপাদিত হয়। এতে উৎপাদন ও আয় দুটোই বৃদ্ধি পায় বলে কৃষকরা এ ধরনের আবাদে এখন আগের তুলনায় অধিক আগ্রহী।
হাটহাজারী উপজেলার এনায়েতপুর কৃষি ব্লকের এনায়েতপুর গ্রামের কৃষকদের মিশ্র ফসল আবাদের মডেলগুলো এখন উপজেলার অন্যত্র বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানের কৃষকরা মিশ্র ফসল হিসেবে আলু-ফরাস সীম, মিষ্টি কুমড়া-বাদাম, মিষ্টি কুমড়া-ফরাস সীম, মূলা-মরিচ-লালশাক, লালশাক-কলমিশাক-মূলা, বাদাম-ফরাসসীম-ধনিয়া ইত্যাদি ফসলের আবাদ করছেন। একই জমিতে একই সময়ে একটির পরিবর্তে ৩-৪ টি ফসল উৎপাদিত হওয়ায় কৃষকের আয় যেমন বৃদ্ধি পাচ্ছে তেমনি প্রাকৃতিক দূর্যোগে ফসলহানির দরুন সম্ভাব্য অর্থনৈতিক ঝুঁকির পরিমানও হ্রাস পাচ্ছে। তাছাড়া বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ হওয়ায় তা মাটির উর্বরতা ধরে রাখতেও সহায়তা করছে।
হাটহাজারি উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে উপজেলার প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে নিয়মিত মিশ্র ফসলের আবাদ হচ্ছে। ভবিষ্যৎএ এই আবাদ আরও বৃদ্ধির জন্য কৃষকদেরকে উদ্ভুদ্ধকরণ সহ বিভিন্ন কারিগরী পরামর্শ উপজেলা কৃষি অফিস হতে নিয়মিত প্রদান করা হচ্ছে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস